জন্ম সনদ যাচাই করুন মাত্র ১ মিনিটে — ১৭ ডিজিটের নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে।
জন্ম সনদ যাচাই ২০২৬
Birth Certificate Verification — BDRIS
তথ্য সরাসরি everify.bdris.gov.bd থেকে যাচাই হবে
✅ উপরের ফর্মে আপনার ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে “জন্ম সনদ যাচাই করুন” বাটনে ক্লিক করুন। BDRIS ডাটাবেজ থেকে সরাসরি তথ্য যাচাই হবে।
জন্ম সনদ যাচাই কী এবং কেন দরকার?
জন্ম সনদ যাচাই (Birth Certificate Verification) হলো সরকারি ডাটাবেজে আপনার জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সঠিক ও বৈধ কিনা তা অনলাইনে নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া। বাংলাদেশ সরকারের BDRIS (Birth and Death Registration Information System) সিস্টেমের মাধ্যমে এই যাচাই হয়।
যে কাজে জন্ম সনদ যাচাই করা লাগে:
- স্কুল ও কলেজে ভর্তি
- পাসপোর্ট আবেদন
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) তৈরি
- ভোটার নিবন্ধন
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা
- চাকরির আবেদন
- বিবাহ নিবন্ধন
- বিদেশে উচ্চশিক্ষা বা কর্মসংস্থান
জন্ম সনদ যাচাই করার নিয়ম — ধাপে ধাপে
ধাপ ১ — নিবন্ধন নম্বর প্রস্তুত রাখুন
আপনার জন্ম সনদে থাকা ১৭ ডিজিটের নিবন্ধন নম্বরটি দেখুন।
⚠️ পুরানো ১৩ ডিজিটের সনদ থাকলে: নম্বরের শুরুতে আপনার ৪ ডিজিটের জন্মসাল যোগ করুন। উদাহরণ:
1234567891234→19901234567891234
ধাপ ২ — উপরের ফর্মে তথ্য দিন
পেজের শুরুতেই যাচাই ফর্ম রয়েছে। সেখানে দিন:
- ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর
- জন্ম তারিখ (দিন, মাস, বছর)
ধাপ ৩ — “যাচাই করুন” বাটনে ক্লিক করুন
বাটনে ক্লিক করলে সরকারি সাইটে নতুন ট্যাবে খুলবে এবং ক্যাপচা দিয়ে Search করলেই আপনার জন্ম সনদের সম্পূর্ণ তথ্য দেখতে পাবেন।
ধাপ ৪ — ক্যাপচা পূরণ করুন
সরকারি সাইটে একটি নিরাপত্তা ক্যাপচা দেখাবে — সেটি পূরণ করে Search বাটনে ক্লিক করুন।
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
| পরিষেবা | লিংক |
|---|---|
| জন্ম সনদ যাচাই (Verify) | everify.bdris.gov.bd |
| BDRIS মূল সাইট | bdris.gov.bd |
| নিবন্ধক জেনারেলের কার্যালয় | orgbdr.gov.bd |
১৩ ডিজিট থেকে ১৭ ডিজিট করার নিয়ম
অনেক পুরানো জন্ম সনদে ১৩ ডিজিটের নম্বর থাকে। সরকারি সাইটে যাচাই করতে হলে এটি ১৭ ডিজিটে রূপান্তর করতে হবে।
পদ্ধতি: নম্বরের শুরুতে জন্মসাল (৪ ডিজিট) বসান।
| পুরানো (১৩ ডিজিট) | নতুন (১৭ ডিজিট) |
|---|---|
| 1234567891011 | 19901234567891011 |
| 9876543211234 | 19859876543211234 |
জন্ম সনদ যাচাই না হলে কী করবেন?
যাচাই করতে গিয়ে তথ্য না পেলে নিচের কারণগুলো হতে পারে:
১. জন্ম সনদ অনলাইনে নেই — হাতে লেখা পুরানো সনদ অনলাইন রেকর্ডে নেই। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভায় গিয়ে ডিজিটাইজেশনের আবেদন করুন।
২. তথ্যে ভুল আছে — নম্বর বা জন্ম তারিখ একটুও ভুল হলে যাচাই হবে না। সনদ দেখে আবার চেষ্টা করুন।
৩. সার্ভার সমস্যা — সরকারি সার্ভারে মাঝে মাঝে সমস্যা হয়। রাতে বা ভোরে চেষ্টা করুন।
৪. তথ্য সংশোধন দরকার — জন্ম তারিখ বা নামে ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে সংশোধনের আবেদন করুন।





